২৭০০-এর বেশি আসন থাকা মহানগর এক্সপ্রেস এখন ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে। ২৬ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ৭২১/৭২২ নম্বরের এই আন্তঃনগর ট্রেন নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীর যাত্রীদের সরাসরি কক্সবাজারে যাওয়ার সুযোগ দেবে। ফলে চট্টগ্রামে ট্রেন বদলের ঝামেলা আর থাকছে না।
নতুন সংযোগটি পর্যটন, ব্যক্তিগত কাজ এবং আন্তঃজেলা যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি রেক দিয়ে পুরো রুট পরিচালিত হওয়ায় সময়সূচি ঠিক রাখা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগও আছে। একই পদ্ধতিতে পরিচালিত বিজয় এক্সপ্রেসে দীর্ঘ বিলম্বের নজির থাকায় তাই যাত্রীদের এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।
- মহানগর এক্সপ্রেস ২৬ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলবে।
- ৭২১ নম্বর ট্রেন কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছাড়বে।
- ৭২২ নম্বর ট্রেন ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে।
- রবিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস ২৬ অক্টোবর, সোমবার থেকে। এর মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলা আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ট্রেনটির নম্বর ৭২১/৭২২।
এতদিন নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীর যাত্রীদের কক্সবাজার যেতে চট্টগ্রামে ট্রেন পরিবর্তন করতে হতো। এখন একই ট্রেনে যাত্রা চালিয়ে যাওয়া যাবে। তাই লাগেজ সামলানো, অপেক্ষা করা এবং সংযোগকারী ট্রেন ধরার চাপ অনেকটাই কমবে।
এছাড়াও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পরবর্তী নির্দেশনা ও সময়সূচিও যাত্রার আগে দেখে নেওয়া ভালো। অফিসিয়াল তথ্যের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট অনুসরণ করা যেতে পারে।
কোন জেলার যাত্রীরা সুবিধা পাবেন?
নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীর যাত্রীরা এই সম্প্রসারণে সরাসরি সুবিধা পাবেন। কারণ এসব জেলার যাত্রীদের কক্সবাজারগামী যাত্রায় আগে চট্টগ্রামে ট্রেন বদল করতে হতো।
যেমন একজন পরিবারসহ ভ্রমণকারীকে ধরুন। আগে তাঁকে চট্টগ্রামে নেমে শিশু, ব্যাগ এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে অন্য ট্রেনে উঠতে হতো। এখন একই রুটে আসন ধরে রাখা গেলে সেই অতিরিক্ত স্থানান্তর কমবে। ফলে প্রবীণ যাত্রীদের জন্য সুবিধাটি আরও বাস্তব।
তবে সরাসরি কক্সবাজার যাতায়াত মানেই সব স্টেশনে একই ধরনের সুবিধা থাকবে না। টিকিটের আসন, স্টপেজ এবং ভাড়া সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য রেলওয়ের টিকিটিং প্ল্যাটফর্মে যাচাই করতে হবে।
নতুন সময়সূচি কী বলছে?
৭২১ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছাড়বে। এরপর ট্রেনটি দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তারপর ১২টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে। এটি রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছে রাত ৩টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কক্সবাজারে পৌঁছানোর কথা সকাল ৬টায়।
| ট্রেন নম্বর | যাত্রার দিক | ছাড়ার সময় | চট্টগ্রাম | গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় |
|---|---|---|---|---|
| ৭২১ | কক্সবাজার থেকে ঢাকা | সকাল ৯টা | দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে পৌঁছে ১২টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে | ঢাকা, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট |
| ৭২২ | ঢাকা থেকে কক্সবাজার | রাত ৮টা ৩০ মিনিট | রাত ২টা ৪০ মিনিটে পৌঁছে ৩টায় ছাড়বে | কক্সবাজার, সকাল ৬টা |
চট্টগ্রামে দুই দিকেই ট্রেনটির স্বল্প বিরতি থাকবে। তাই যাত্রীদের স্টেশনে নেমে ঘোরাঘুরি না করে নিজের কোচে থাকা এবং ঘোষণার দিকে নজর রাখা নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
চট্টগ্রামে ট্রেন বদলানোর ঝামেলা কেন কমবে?
একই ট্রেনে গন্তব্যে পৌঁছানোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যাত্রার মাঝপথে সংযোগ হারানোর আশঙ্কা কমে যাওয়া। আগে চট্টগ্রামে নেমে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সময় মেলাতে হতো। এখন সেই ধাপটি বাদ পড়ছে।
চট্টগ্রামে মহানগর এক্সপ্রেসের নির্ধারিত বিরতি দুই দিকেই ২০ মিনিট। এই সময়টি ট্রেন পরিচালনার জন্য নির্ধারিত। তাই যাত্রীদের জন্য এটি নতুন করে টিকিট সংগ্রহ বা কোচ বদলের সময় নয়।
অবশ্য বাস্তবে ট্রেন দেরি করলে পরের অংশের সময়সূচিও প্রভাবিত হতে পারে। তাই কক্সবাজারে সকাল ৬টার পর কোনো জরুরি সংযোগ, হোটেল চেক-ইন বা নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকলে বাড়তি সময় হাতে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সময়সূচি নিয়ে উদ্বেগের কারণ কী?
মহানগর এক্সপ্রেস একটি রেক দিয়ে পুরো রুটে পরিচালিত হবে। ফলে একই রেককে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের মধ্যে নির্ধারিত ধারাবাহিকতায় চলতে হবে। একটি পর্যায়ে বিলম্ব হলে পরের যাত্রাতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।
সংশ্লিষ্টরা এই কারণে সময়সূচি বজায় রাখা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এর আগে একই পদ্ধতিতে পরিচালিত বিজয় এক্সপ্রেসে দীর্ঘ বিলম্বের নজির ছিল। তাই নতুন সংযোগের সুবিধার পাশাপাশি সময়নিষ্ঠা নিয়ে বাস্তব প্রত্যাশা রাখা জরুরি।
লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো, সময়সূচিতে চট্টগ্রামে অপেক্ষার সময় খুব বেশি নয়। ঢাকাগামী ৭২১ নম্বর ট্রেনের ক্ষেত্রে পৌঁছানো থেকে ছাড়ার ব্যবধান ২০ মিনিট। অন্যদিকে কক্সবাজারগামী ৭২২ নম্বর ট্রেনের ক্ষেত্রেও ব্যবধান ২০ মিনিট। ফলে এই সীমিত ব্যবধান রেক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়।
যাত্রার আগে যে বিষয়গুলো দেখবেন
- টিকিটে ট্রেন নম্বর ৭২১ বা ৭২২ ঠিক আছে কি না মিলিয়ে নিন।
- এছাড়াও রবিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি মনে রাখুন।
- যাত্রার দিন রেলওয়ের সর্বশেষ সময়সূচি যাচাই করুন।
- চট্টগ্রামে নির্ধারিত বিরতির সময় অযথা প্ল্যাটফর্ম ছাড়বেন না।
- জরুরি কাজ থাকলে তাই সম্ভাব্য বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত সময় রাখুন।
উদ্বোধনের দিনে কী পরিবর্তন থাকছে?
রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সেবাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের প্রাক্কালে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ উপস্থিত থাকবেন। তবে উদ্বোধনী আয়োজনের কারণে ওই দিন মহানগর এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, ট্রেনটির খালি রেক রবিবার রাতে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য ছিল উদ্বোধনের সময় ট্রেনটিকে কমলাপুরে প্রস্তুত রাখা।
টিকিটের চাহিদা ও আসনসংখ্যা
মহানগর এক্সপ্রেসে ২৭০০-এর বেশি আসন রয়েছে। টিকিট বিক্রি শুরুর পর থেকেই ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। কক্সবাজারের পর্যটন মৌসুম, ছুটির দিন এবং সপ্তাহান্তে আসন দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই বেশি।
তবে নির্দিষ্ট ভাড়া, আসন বিন্যাস এবং কোন স্টেশনে কতটি আসন বরাদ্দ থাকবে, তা অফিসিয়াল টিকিটিং তথ্য থেকে যাচাই করতে হবে। তাই অনুমান করে ভাড়া বা আসনপ্রাপ্যতা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা
| দিক | যাত্রীর জন্য অর্থ |
|---|---|
| সুবিধা | চট্টগ্রামে ট্রেন বদল ছাড়াই কক্সবাজার যাওয়া যাবে |
| সুবিধা | পরিবার ও বেশি লাগেজ নিয়ে যাত্রা তুলনামূলক সহজ হবে |
| সুবিধা | নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীর যাত্রীরা সরাসরি সংযোগ পাবেন |
| সীমাবদ্ধতা | একটি রেক ব্যবহারের কারণে বিলম্বের প্রভাব পরের যাত্রায় পড়তে পারে |
| সীমাবদ্ধতা | রবিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বিকল্প দিন বেছে নিতে হবে |
যাত্রীরা কোন ভুলগুলো এড়াবেন?
সাধারণ একটি ভুল হলো উদ্বোধনী দিনের সময়সূচিকে স্থায়ী বাস্তবতা ধরে নেওয়া। নতুন রুট চালুর প্রথম দিকে পরিচালনাগত সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে। তাই স্টেশনে যাওয়ার আগে টিকিট এবং ট্রেনের চলাচল যাচাই করা উচিত।
আরেকটি ভুল হলো চট্টগ্রামে নামার পর ট্রেনটি অপেক্ষা করবে ধরে নেওয়া। নির্ধারিত বিরতি শেষ হলে ট্রেন ছাড়বে। ফলে কোচ থেকে দূরে গেলে যাত্রা মিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কক্সবাজারে সকাল ৬টায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা থাকলেও হোটেল, বাস বা স্থানীয় পরিবহনের সময় আগে মিলিয়ে নিন। তবে ভোরের সময়ে সব সেবা সমানভাবে চালু নাও থাকতে পারে।
এই রেলসংযোগের প্রভাব কী হতে পারে?
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস—এই পরিবর্তন শুধু পর্যটনযাত্রীদের জন্য নয়। চিকিৎসা, পারিবারিক অনুষ্ঠান, ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষও সরাসরি সংযোগ পাবেন।
নতুন রুটটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে সেই পাঁচ জেলার জন্য, যেখানকার যাত্রীদের আগে চট্টগ্রামে ট্রেন পরিবর্তন করতে হতো। ফলে একটি ট্রেনে দীর্ঘ যাত্রা শেষ করার সুযোগ সময় ও মানসিক চাপ দুটোই কমাতে পারে।
তবে রেলসেবার প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে নিয়মিত সময়সূচি, আসনপ্রাপ্যতা এবং পরিচালনাগত স্থিতিশীলতার ওপর। যাত্রীরা ইতোমধ্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এখন তাঁদের প্রত্যাশা হলো, ঘোষিত সময় অনুযায়ী সেবা নির্ভরযোগ্যভাবে চলবে।
যাত্রীদের সাধারণ প্রশ্ন
মহানগর এক্সপ্রেস কবে থেকে কক্সবাজার যাবে?
মহানগর এক্সপ্রেস ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলবে। সেবাটি ৭২১/৭২২ নম্বর ট্রেনের সম্প্রসারিত রুট হিসেবে চালু হচ্ছে।
৭২২ নম্বর ট্রেন ঢাকা থেকে কখন ছাড়বে?
৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ট্রেনটি সকাল ৬টায় কক্সবাজারে পৌঁছাবে।
৭২১ নম্বর ট্রেন কক্সবাজার থেকে কখন ছাড়বে?
৭২১ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছাড়বে। ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
কোন জেলার যাত্রীরা সরাসরি সুবিধা পাবেন?
নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীর যাত্রীরা চট্টগ্রামে ট্রেন না বদলে কক্সবাজার যেতে পারবেন।
মহানগর এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক ছুটি কোন দিন?
রবিবার মহানগর এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ওই দিনে কক্সবাজার বা ঢাকা যাত্রার জন্য অন্য ট্রেনের সময়সূচি দেখতে হবে।
ট্রেনটিতে কতটি আসন আছে?
মহানগর এক্সপ্রেসে ২৭০০-এর বেশি আসন রয়েছে। নির্দিষ্ট আসনপ্রাপ্যতা ও ভাড়া টিকিট কাটার সময় অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে যাচাই করুন।
সরাসরি সংযোগের নতুন অধ্যায়
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস দীর্ঘদিনের একটি যাতায়াত-সমস্যা কমানোর সুযোগ তৈরি করেছে। চট্টগ্রামে ট্রেন বদলের প্রয়োজন না থাকায় পাঁচ জেলার যাত্রীরা সহজে কক্সবাজারে যেতে পারবেন।
তবে প্রথম দিন থেকেই সময়সূচি ও পরিচালনাগত বাস্তবতা নজরে রাখা দরকার। টিকিট কাটার আগে ছুটির দিন, নির্ধারিত সময় এবং সম্ভাব্য বিলম্ব যাচাই করে পরিকল্পনা করলে যাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক হবে।


