প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ ফলাফল ১২৫

প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ ফলাফল ১২৫ জানতে চাইলে প্রথম পুরস্কারের নম্বরটি হলো ০৯২৩২৮৩। ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্রয়ে এই নম্বরটি ৬ লাখ টাকা জিতেছে। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা পেয়েছে ০৮৪২৫১১ নম্বর। এছাড়া তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পুরস্কারের পূর্ণ তালিকাও নিচে দেওয়া হলো। ফলে বন্ডধারীরা নিজের নম্বর সহজে মিলিয়ে নিতে পারবেন।

  • প্রথম পুরস্কার: ০৯২৩২৮৩ — ৬ লাখ টাকা
  • দ্বিতীয় পুরস্কার: ০৮৪২৫১১ — ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা
  • তৃতীয় পুরস্কার: ০৮৭৩৬১১ ও ০৮৯১৯৫৬ — ১ লাখ টাকা করে
  • চতুর্থ পুরস্কার: ০৪৫৮৬৫৮ ও ০৯২৪৬৯৫ — ৫০ হাজার টাকা করে
  • পঞ্চম পুরস্কার: ৪০টি নম্বর — ১০ হাজার টাকা করে

Summary of Article

প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ ফলাফল ১২৫

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র রবিবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা ড্র অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। একক সাধারণ পদ্ধতিতে ড্র পরিচালিত হওয়ায় প্রত্যেক সিরিজে একই নম্বর পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হয়েছে।

এই ড্রয়ে ৮৬টি সিরিজের ৪৬টি সাধারণ সংখ্যার মোট ৩ হাজার ৯৫৬টি নম্বর পুরস্কারের যোগ্য বিবেচিত হয়েছে। তাই শুধু নম্বরের শেষ কয়েকটি অঙ্ক নয় বরং নিজের প্রাইজবন্ডের পুরো সিরিজ ও সাত অঙ্কের নম্বর মিলিয়ে দেখা জরুরি। অন্যদিকে ভুল সিরিজ ধরে ফলাফল যাচাই করলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।

পুরস্কারের নম্বর ও অর্থ

প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ ফলাফল ১২৫-এর শীর্ষ পুরস্কার ৬ লাখ টাকা। একইভাবে দ্বিতীয় পুরস্কারের মূল্য ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তৃতীয় পুরস্কারের দুইটি নম্বরে ১ লাখ টাকা করে এবং চতুর্থ পুরস্কারের দুইটি নম্বরে ৫০ হাজার টাকা করে নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া পঞ্চম পুরস্কারের প্রতিটি বিজয়ী নম্বরের জন্য ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

পুরস্কারের ধাপবিজয়ী নম্বরপ্রতিটি পুরস্কারের অর্থ
প্রথম০৯২৩২৮৩৬ লাখ টাকা
দ্বিতীয়০৮৪২৫১১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা
তৃতীয়০৮৭৩৬১১, ০৮৯১৯৫৬১ লাখ টাকা
চতুর্থ০৪৫৮৬৫৮, ০৯২৪৬৯৫৫০ হাজার টাকা
পঞ্চম৪০টি পৃথক নম্বর১০ হাজার টাকা

তাই পুরস্কারপ্রাপ্তরা নম্বর যাচাইয়ের সময় বন্ডের সিরিজের অক্ষর, সাত অঙ্কের সংখ্যা এবং ড্রয়ের আওতাভুক্ত বিক্রির সময়সীমা মিলিয়ে দেখবেন। প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নোটিশ দেখে তথ্য নিশ্চিত করা উচিত।

পঞ্চম পুরস্কারের ৪০ নম্বর

পঞ্চম পুরস্কারে ১০ হাজার টাকা করে পাওয়ার জন্য ৪০টি নম্বর নির্বাচিত হয়েছে। তালিকাটি বড় হওয়ায় মোবাইলে পড়ার সময় নম্বরের শুরুতে থাকা শূন্য বাদ পড়েছে কি না খেয়াল করুন। উদাহরণস্বরূপ, ০০২১৩৫৫ নম্বরকে ২১৩৫৫ হিসেবে ধরে মিলিয়ে দেখা ঠিক হবে না। বরং সাত অঙ্কের পূর্ণ নম্বরই যাচাই করতে হবে।

  • ০০২১৩৫৫, ০১৬৪১৫৯, ০০৩৪৪৫১, ০১৭০৪৮৪, ০০৪৫৩১৩
  • ০০৪৮৫০৩, ০০৯১৯২৮, ০০৯৬১২১, ০১৪৬৮৯৩, ০১৬০০৮৬
  • ০২৩২২৫২, ০২৩৮৫৭০, ০২৪৫৩১১, ০২৭১৬৯৭, ০২৮৪৪২১
  • ০৩০৩০০৮, ০৩৪৮১৮৭, ০৩৫৯৭৮৭, ০৪৫৮৫০৫, ০৫৪০৮৭১
  • ০৫৭৮০৮৮, ০৫৮২৯৫৬, ০৫৯৭৩৭৮, ০৬১৩৬০২, ০৬২৪০১৭
  • ০৬৩৫৬৫০, ০৬৪১১৯২, ০৬৫৮৫০২, ০৬৬০৭২৩, ০৬৯৭১৭৭
  • ০৭০০৩৬১, ০৭২০৩৩৯, ০৭২৯৪০০, ০৭৩১৬৬৬, ০৭৬৮৭৯৫
  • ০৭৮৪৪৩৫, ০৮৬৪০৭৮, ০৮৬৬৪৯১, ০৮৮৪৬২৩, ০৯০৪৭৯৫

কোনো নম্বরের সঙ্গে নিজের বন্ডের মিল পাওয়া গেলে আগে নম্বরটি দুইবার যাচাই করুন। এরপর মূল প্রাইজবন্ড নিরাপদে রাখুন এবং পুরস্কার দাবি করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বর্তমান প্রক্রিয়া জেনে নিন। পাশাপাশি প্রাইজবন্ডের কপি, ছবি বা নম্বর অপরিচিত ব্যক্তির কাছে প্রকাশ না করাই নিরাপদ।

কোন সিরিজ ড্রয়ের আওতায়

বর্তমানে প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের ৮৬টি সিরিজ এই ড্রয়ের আওতাভুক্ত। দেওয়া তালিকা অনুযায়ী সিরিজগুলো হলো কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, কঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস ও খহ।

তালিকার পরের অংশে রয়েছে গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গপ, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গস, গ্রহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ, ঘচ, ঘছ ও ঘজ। তবে ড্রয়ের ফল মিলানোর সময় প্রকাশিত সিরিজ-তালিকার বানান ও নিজের বন্ডের মুদ্রিত সিরিজ একই কি না দেখে নিন।

একক সাধারণ পদ্ধতি কী

একক সাধারণ পদ্ধতিতে প্রত্যেক সিরিজের একই নম্বর একসঙ্গে ড্রয়ের আওতায় থাকে। অর্থাৎ কোনো সাধারণ সংখ্যা বিজয়ী হলে নির্ধারিত সিরিজগুলোর সেই একই সংখ্যাও পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতে পারে। তবে পুরস্কার দাবি করার আগে সংশ্লিষ্ট ড্রয়ের সরকারি ফলাফল, সিরিজ এবং বন্ড বিক্রির যোগ্যতার শর্ত একসঙ্গে যাচাই করা দরকার।

বিক্রির তারিখের শর্ত

ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে পর্যন্ত বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ড এই ড্রয়ের আওতায় এসেছে। এখানে বিক্রির তারিখ গণনা করা হয়েছে কিন্তু ড্রয়ের তারিখ গণনার মধ্যে ধরা হয়নি। ফলে ড্রয়ের ঠিক আগের সময়ে কেনা কোনো বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ড্রয়ে যোগ্য হবে এমন ধারণা করা ঠিক নয়।

  1. প্রথমে প্রাইজবন্ডে মুদ্রিত বিক্রির তারিখ খুঁজে নিন।
  2. এরপর ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিনের সীমা বিবেচনা করুন।
  3. বিক্রির তারিখ ওই সময়সীমার মধ্যে পড়ে কি না মিলিয়ে দেখুন।
  4. তারপর সিরিজ ও সাত অঙ্কের নম্বরের সঙ্গে প্রকাশিত বিজয়ী তালিকা তুলনা করুন।
  5. পুরস্কার মিললে দাবি করার বর্তমান নিয়ম ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর থেকে জেনে নিন।

ধরা যাক কোনো বন্ডের নম্বর তালিকায় রয়েছে কিন্তু সেটি নির্ধারিত ৬০ দিনের যোগ্যতার সময়ের বাইরে বিক্রি হয়েছিল। সে ক্ষেত্রে শুধু নম্বর মিলে যাওয়া যথেষ্ট নাও হতে পারে। এই কারণেই পুরস্কার যাচাইয়ের সময় নম্বরের পাশাপাশি বন্ডের বিক্রির তারিখও সংরক্ষণ করা দরকার।


পুরস্কারের অর্থে উৎসে কর

আয়কর আইন ২০২৩-এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার বিধান রয়েছে। তাই ঘোষিত পুরস্কারের অঙ্ক এবং হাতে পাওয়া অর্থ একই হবে এমন ধরে নেওয়া উচিত নয়। প্রাইজবন্ডধারীকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কর কর্তনের পর প্রদেয় অর্থ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ ১০ হাজার টাকার পঞ্চম পুরস্কার ঘোষিত হলেও ২৫ শতাংশ উৎসে কর প্রযোজ্য হলে করের অঙ্ক হবে ২ হাজার ৫০০ টাকা। ফলে হিসাবের ভিত্তিতে অবশিষ্ট অর্থ ৭ হাজার ৫০০ টাকা হতে পারে। এটি সাধারণ গাণিতিক উদাহরণ। তবে প্রকৃত পরিশোধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হিসাব ও প্রযোজ্য নিয়মই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

যা সঙ্গে রাখবেন

  • মূল প্রাইজবন্ড
  • নিজের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্য
  • বন্ডের সিরিজ, নম্বর এবং বিক্রির তারিখের পরিষ্কার নথি
  • পুরস্কারের ফলাফল যাচাইয়ের কপি বা সরকারি প্রকাশনা

সাধারণ ভুল এড়ানোর উপায়

প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ ফলাফল ১২৫ যাচাইয়ের সময় সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো সিরিজ বাদ দিয়ে শুধু সংখ্যার সঙ্গে মিল খোঁজা। একইভাবে শুরুতে থাকা শূন্য বাদ পড়লেও সমস্যা দেখা দেয়। যেমন ০৪৫৮৬৫৮ নম্বরকে ৪৫৮৬৫৮ হিসেবে লেখা হলে তালিকার সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই ফলাফল যাচাইয়ের সময় বন্ডের নম্বর হুবহু লিখে মিলিয়ে দেখা ভালো।

  • প্রথমত সিরিজের অক্ষর বাদ দেবেন না।
  • এছাড়া সাত অঙ্কের নম্বর থেকে শুরুর শূন্য সরাবেন না।
  • শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন না।
  • একই সঙ্গে ড্রয়ের ৬০ দিনের বিক্রির শর্ত পরীক্ষা করুন।
  • পুরস্কারের অঙ্ক থেকে ২৫ শতাংশ উৎসে কর কাটার বিধান বিবেচনায় রাখুন।
  • সবশেষে মূল বন্ড অপরিচিত ব্যক্তি বা অননুমোদিত মধ্যস্থতাকারীর কাছে দেবেন না।

লক্ষ করার মতো বিষয় হলো ফলাফলে নম্বর মিলে গেলেও অর্থ পাওয়ার প্রক্রিয়া, কর কর্তন এবং যোগ্যতার প্রমাণ আলাদা বিষয়। তাই যাচাইয়ের শেষ ধাপে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা সরকারি দপ্তরের বর্তমান নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

প্রাইজবন্ড যাচাইয়ের শেষ ধাপ

প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ ফলাফল ১২৫ মিলিয়ে দেখার সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হলো প্রথমে পুরস্কারের স্তর শনাক্ত করা। এরপর সিরিজ ও সাত অঙ্কের নম্বর যাচাই করুন এবং শেষে বিক্রির তারিখের শর্ত পরীক্ষা করুন। তালিকায় নম্বর থাকলে মূল বন্ড নিয়ে অনুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করুন। কোনো অনলাইন পোস্টে ব্যক্তিগত ব্যাংক তথ্য, পরিচয়পত্রের ছবি বা বন্ডের পূর্ণ ছবি প্রকাশ করবেন না।

সর্বশেষ যাচাই: নভেম্বর ২০২৬। তবে পুরস্কার দাবি করার সময়সীমা, প্রয়োজনীয় নথি, কর কর্তনের হিসাব এবং অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বাংলাদেশ ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের হালনাগাদ তথ্য মিলিয়ে নিন।

প্রশ্নোত্তর

১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্রয়ের প্রথম পুরস্কারের নম্বর কোনটি?

প্রথম পুরস্কারের বিজয়ী নম্বর ০৯২৩২৮৩। এই নম্বরের পুরস্কারের অর্থ ৬ লাখ টাকা। তবে সিরিজ ও বিক্রির যোগ্যতা অবশ্যই আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।

দ্বিতীয় পুরস্কার কত টাকা?

দ্বিতীয় পুরস্কার ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বিজয়ী নম্বর হলো ০৮৪২৫১১। তবে প্রযোজ্য উৎসে কর কাটার পর প্রদেয় অর্থ কম হতে পারে।

তৃতীয় পুরস্কারের নম্বর কী?

তৃতীয় পুরস্কারের নম্বর দুটি হলো ০৮৭৩৬১১ ও ০৮৯১৯৫৬। প্রতিটি নম্বরের জন্য ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার নির্ধারিত হয়েছে।

পঞ্চম পুরস্কারে কতটি নম্বর আছে?

পঞ্চম পুরস্কারে ৪০টি নম্বর রয়েছে। প্রতিটি বিজয়ী নম্বরের জন্য ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সব প্রাইজবন্ড কি এই ড্রয়ে অংশ নিয়েছে?

না। ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে বিক্রি হওয়া বন্ডগুলো এই ড্রয়ের আওতায় এসেছে। এছাড়া ড্রয়ের তারিখ গণনায় ধরা হয়নি।

পুরস্কারের অর্থ থেকে কর কাটা হবে কি?

আয়কর আইন ২০২৩-এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার বিধান রয়েছে। তবে বর্তমান প্রয়োগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চিত করুন।

শেষ কথা

প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ ফলাফল ১২৫ যাচাই করতে পুরো নম্বর, সিরিজ এবং বিক্রির তারিখ একসঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে মূল প্রাইজবন্ড নিরাপদে রেখে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান বা সরকারি উৎস থেকে দাবি করার নিয়ম জেনে নিন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে এবং কর কর্তনের বিষয়টি বুঝে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়াই নিরাপদ।

Scroll to Top