চাকরিজীবীদের জন্য সামনে ৫ দিনের সরকারি ছুটি

চাকরিজীবীদের জন্য সামনে ৫ দিনের সরকারি ছুটি, তবে আছে দুঃসংবাদ—বছরের শেষ ভাগের ছুটির হিসাবটা অনেকটা পাঁচটি স্টেশনের ছোট ট্রেনের মতো। ট্রেন থামবে পাঁচবার, কিন্তু দুটি স্টেশন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়েছে। তাই ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি ক্যালেন্ডারে পাঁচটি ছুটি থাকলেও সরকারি চাকরিজীবীরা অতিরিক্ত কর্মদিবসের বিরতি পাবেন মাত্র তিন দিন।

সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে। ফলে বছর শেষ হতে বাকি থাকবে চার মাস। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অবশিষ্ট ছুটিগুলো হলো জন্মাষ্টমী, দুর্গাপূজার নবমী ও বিজয়া দশমী, বিজয় দিবস এবং বড়দিন। তবে জন্মাষ্টমী ও বড়দিন দুটিই শুক্রবারে পড়েছে।

  • বছরের বাকি সময়ে সরকারি ছুটি: ৫ দিন
  • সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাচ্ছে: ২ দিন
  • অতিরিক্ত কর্মদিবসের বিরতি হিসেবে কার্যকর ছুটি: ৩ দিন

চাকরিজীবীদের জন্য ৫ দিনের ছুটি কেন

চাকরিজীবীদের জন্য সামনে ৫ দিনের সরকারি ছুটি বলতে ২০২৬ সালের শেষ চার মাসে নির্ধারিত পাঁচটি সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটিকে বোঝানো হচ্ছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরের একটি এবং ডিসেম্বরের একটি ছুটি শুক্রবারে পড়েছে। ফলে তালিকায় পাঁচ দিন থাকলেও অফিস বন্ধের অতিরিক্ত সুবিধা তৈরি হবে তিন দিনে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপনে ২০২৬ সালের জন্য সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি ২৮ দিন। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে গেছে।

তবে এই হিসাব সাধারণ ও নির্বাহী ছুটির জন্য। অন্যদিকে ধর্মীয় ঐচ্ছিক ছুটি আলাদা নিয়মে প্রযোজ্য। একজন কর্মচারী নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারেন। এজন্য বছরের শুরুতে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন।

বাকি সরকারি ছুটির তারিখগুলো

২০২৬ সালের শেষ চার মাসে নির্ধারিত ছুটির তালিকা নিচে দেওয়া হলো। তারিখগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে।

উৎসব বা দিবসতারিখবারছুটির ধরন
জন্মাষ্টমী৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬শুক্রবারসাধারণ ছুটি
দুর্গাপূজা, মহানবমী২০ অক্টোবর ২০২৬মঙ্গলবারনির্বাহী আদেশে ছুটি
দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী২১ অক্টোবর ২০২৬বুধবারসাধারণ ছুটি
মহান বিজয় দিবস১৬ ডিসেম্বর ২০২৬বুধবারসাধারণ ছুটি
যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন বা বড়দিন২৫ ডিসেম্বর ২০২৬শুক্রবারসাধারণ ছুটি

সেপ্টেম্বরের জন্মাষ্টমী শুক্রবার হওয়ায় ওই ছুটির জন্য আলাদা কর্মদিবস বন্ধ হবে না। একই কারণে ২৫ ডিসেম্বরের বড়দিনের ছুটিও অতিরিক্ত কর্মদিবসের সুবিধা দেবে না। তাই ছুটির হিসাব করার সময় তারিখের পাশাপাশি বারও দেখা জরুরি।

সেপ্টেম্বরের ছুটিতে কী বদলাবে

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার সরকারি ছুটি থাকবে। বাংলাদেশে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এই ছুটি কর্মসপ্তাহে নতুন একটি বন্ধের দিন যোগ করবে না।

অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে জন্মাষ্টমীর ধর্মীয় ছুটি ক্যালেন্ডারে থাকবে। কিন্তু রবিবার থেকে বৃহস্পতিবারের নিয়মিত কর্মদিবসের মধ্যে অফিস বন্ধের অতিরিক্ত সুযোগ তৈরি হবে না। তাই ছুটির পরিকল্পনা করার সময় সরকারি চাকরিজীবীদের এই পার্থক্যটি মনে রাখা দরকার।

অক্টোবরে টানা দুই দিনের বিরতি

অক্টোবরের দুর্গাপূজায় দুই দিন সরকারি ছুটি থাকবে। মহানবমী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার এবং বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর বুধবার পালিত হবে। যেহেতু দুটি তারিখই কর্মদিবসে পড়েছে তাই এই ছুটি বাস্তবে দুই দিনের অফিস-বিরতি তৈরি করবে।

দুই দিনের ছুটির সঙ্গে শুক্র ও শনিবার যুক্ত করলে কেউ চাইলে চার দিনের বিরতির পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে অফিসের দায়িত্ব, অনুমোদিত ছুটি এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সময়সূচি আগে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। সরকারি ছুটির তালিকা নিজে থেকে অতিরিক্ত ব্যক্তিগত ছুটি অনুমোদন করে না।

দুর্গাপূজার ঐচ্ছিক ছুটি

হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০২৬ সালের ঐচ্ছিক ছুটির তালিকায় মহালয়া ১০ অক্টোবর, সপ্তমী ও অষ্টমী ১৮ ও ১৯ অক্টোবর এবং লক্ষ্মীপূজা ২৫ অক্টোবর রয়েছে। এছাড়া শ্যামাপূজার ঐচ্ছিক ছুটি ৮ নভেম্বর নির্ধারিত। এসব ছুটি নিতে পূর্বানুমোদন দরকার।

ডিসেম্বরে ছুটির হিসাব

১৬ ডিসেম্বর বুধবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকবে। ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন বা বড়দিন উপলক্ষে আরেকটি সাধারণ ছুটি রয়েছে। তাই ডিসেম্বরের পাঁচ দিনের সরকারি ছুটির মধ্যে বিজয় দিবস কার্যকর কর্মদিবসের বিরতি দেবে।

বড়দিন শুক্রবার হওয়ায় সেটি সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিশে যাবে। তবে বড়দিনের পূর্বের ২৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার এবং পরের ২৬ ডিসেম্বর শনিবার খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি নির্ধারিত আছে। ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবহার ব্যক্তির ধর্ম ও কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল।

সাধারণ ছুটি আর ঐচ্ছিক ছুটির পার্থক্য

সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও নির্ধারিত আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামগ্রিকভাবে পালিত হয়। বিপরীতে ঐচ্ছিক ছুটি কর্মচারীর নিজ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি নিতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন।

বিষয়সাধারণ বা নির্বাহী ছুটিঐচ্ছিক ছুটি
কার জন্যপ্রজ্ঞাপনে আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীদের জন্যনিজ ধর্ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর জন্য
অনুমোদনসাধারণত আলাদা ব্যক্তিগত অনুমোদন লাগে নাউপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন লাগে
বার্ষিক সীমাপ্রজ্ঞাপনে নির্ধারিতসর্বোচ্চ ৩ দিন
সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করাক্যালেন্ডারের তারিখ অনুযায়ীঅনুমোদন থাকলে যুক্ত করা যেতে পারে

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশের ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে ঐচ্ছিক ছুটি যুক্ত করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। তাই বাস্তবে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ছুটি বিধি ও প্রশাসনিক নির্দেশনা দেখা ভালো।

কোন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন নিয়ম হতে পারে

সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মঘণ্টা একইভাবে পরিচালিত হয় না। যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি নিজস্ব আইন-কানুনে নিয়ন্ত্রিত অথবা যেসব প্রতিষ্ঠানকে সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে তারা জনস্বার্থ বিবেচনায় আলাদা সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তাই সরকারি ক্যালেন্ডারে ২০ অক্টোবর ও ২১ অক্টোবর ছুটি থাকলেও জরুরি সেবা, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি, পরিবহন বা নিজস্ব বিধির আওতাধীন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বের রোস্টার আলাদা হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অফিসের মানবসম্পদ বা প্রশাসন শাখার নোটিশই কার্যকর নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হবে।

দীর্ঘমেয়াদি ছুটি পরিকল্পনার সহজ কৌশল

চাকরিজীবীদের জন্য সামনে ৫ দিনের সরকারি ছুটি পরিকল্পনা করার সময় শুধু মোট দিনের সংখ্যা দেখলে ভুল হতে পারে। বরং কোন তারিখ কর্মদিবসে পড়ছে এবং কোনটি শুক্রবার বা শনিবারে পড়ছে সেই হিসাব আগে করতে হবে।

  1. প্রথমে ৪ সেপ্টেম্বর ও ২৫ ডিসেম্বরের শুক্রবারের ছুটি আলাদা করে চিহ্নিত করুন।
  2. তারপর ২০ ও ২১ অক্টোবরের টানা ছুটির সঙ্গে ব্যক্তিগত ছুটি যুক্ত করা সম্ভব কি না দেখুন।
  3. ১৬ ডিসেম্বরের বুধবারের ছুটি ব্যবহার করে ভ্রমণ বা পারিবারিক কাজের সময় নির্ধারণ করুন।
  4. ঐচ্ছিক ছুটি প্রয়োজন হলে বছরের অনুমোদিত সীমা ও অফিসের পূর্বানুমোদন যাচাই করুন।
  5. সবশেষে চূড়ান্ত পরিকল্পনার আগে সংশ্লিষ্ট অফিসের সর্বশেষ নোটিশ দেখে নিন।

ধরা যাক, কেউ ২২ ও ২৩ অক্টোবর ব্যক্তিগত ছুটি নিতে পারলেন। সেক্ষেত্রে ২০ অক্টোবরের সরকারি ছুটি, ২১ অক্টোবরের সরকারি ছুটি, ২২ ও ২৩ অক্টোবরের ব্যক্তিগত ছুটি এবং পরের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হতে পারে। তবে এমন পরিকল্পনা অনুমোদিত ছুটির ওপর নির্ভর করবে।

সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন

  • সরকারি তালিকায় পাঁচ দিন দেখে পাঁচটি অতিরিক্ত কর্মদিবস বন্ধ হবে ধরে নেওয়া।
  • শুক্রবারের ছুটিকে আলাদা কর্মসপ্তাহের বিরতি হিসেবে গণনা করা।
  • ঐচ্ছিক ছুটিকে সবার জন্য প্রযোজ্য সরকারি ছুটি মনে করা।
  • চাঁদ দেখা বা চান্দ্রতিথিনির্ভর ছুটির তারিখকে চূড়ান্ত ধরে নেওয়া।
  • নিজস্ব আইন-কানুনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের আলাদা নোটিশ উপেক্ষা করা।

এই বিষয়ে গবেষণা করতে গিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যটি দেখা যায় “তালিকাভুক্ত ছুটি” ও “অতিরিক্ত কর্মদিবসের বিরতি”-র মধ্যে। প্রথমটি ক্যালেন্ডারের সংখ্যা। অন্যদিকে দ্বিতীয়টি নির্ভর করে ছুটির দিনটি কর্মদিবসে পড়েছে কি না।

সরকারি প্রজ্ঞাপন কোথায় দেখবেন

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির মূল প্রজ্ঞাপনটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের বিধি-৬ শাখা থেকে জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনের নম্বর ০৫.০০.০০০০.০০০.১৭৫.০৮.০০০৮.২৫-১৭ এবং তারিখ ৯ নভেম্বর ২০২৫। বিস্তারিত তথ্যের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইট দেখুন।

চাঁদ দেখা বা চান্দ্রতিথির ওপর নির্ভরশীল ছুটির ক্ষেত্রে পরবর্তী সরকারি ঘোষণা প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তাই ছুটির ঠিক আগে অফিসের প্রশাসনিক নোটিশ এবং মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য যাচাই করা নিরাপদ।

প্রশ্নোত্তর

২০২৬ সালের বাকি সময়ে সরকারি ছুটি কত দিন?

সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি ছুটি পাঁচ দিন। তবে জন্মাষ্টমী ও বড়দিন শুক্রবারে পড়ায় অতিরিক্ত কর্মদিবসের বিরতি কার্যকর হবে তিন দিন।

সেপ্টেম্বরের জন্মাষ্টমীর ছুটি কবে?

জন্মাষ্টমীর সরকারি ছুটি ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার। ফলে এটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সঙ্গে মিলে গেছে।

অক্টোবরে দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি কয় দিন?

দুর্গাপূজায় দুই দিন ছুটি রয়েছে। মহানবমী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার এবং বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর বুধবার।

বড়দিনের ছুটি কি অতিরিক্ত কর্মদিবস বন্ধ করবে?

না। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৬ শুক্রবার হওয়ায় বড়দিনের সরকারি ছুটি সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাবে।

ঐচ্ছিক ছুটি বছরে কয় দিন নেওয়া যায়?

একজন কর্মচারী নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারেন। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন।

সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে কি একই ছুটি প্রযোজ্য?

সব ক্ষেত্রে নয়। নিজস্ব আইন বা অত্যাবশ্যক সেবার আওতাধীন প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থ বিবেচনায় আলাদা ছুটির সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারে।

বছরের শেষ ভাগের বাস্তব হিসাব

চাকরিজীবীদের জন্য সামনে ৫ দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও কার্যকর অতিরিক্ত বিরতি তিন দিন। ২০ ও ২১ অক্টোবরের দুর্গাপূজা এবং ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবস কর্মদিবসে পড়েছে। অন্যদিকে ৪ সেপ্টেম্বরের জন্মাষ্টমী ও ২৫ ডিসেম্বরের বড়দিন শুক্রবারে পড়ায় সেগুলোই এই হিসাবের দুঃসংবাদ।

তাই ছুটি পরিকল্পনার আগে সরকারি প্রজ্ঞাপন, নিজ দপ্তরের নোটিশ এবং ঐচ্ছিক ছুটির অনুমোদন—তিনটি বিষয় মিলিয়ে নিন। এতে ক্যালেন্ডারের ছুটি ও বাস্তব কর্মবিরতির পার্থক্য পরিষ্কার থাকবে।

Scroll to Top