রোমানিয়া ভিসার দাম কত

রোমানিয়াতে ছোট বড় কাজ করে অধিক পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। এছাড়াও রোমানিয়া ইউরোপ উপমহাদেশের রাষ্ট্র হওয়ায় বিদেশ গামী সকলেই রোমানিয়া যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। তবে ইচ্ছা অনুযায়ী ভিসা না পাওয়ার কারণে অনেকেই তাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে না। আগের তুলনায় বর্তমানে অধিক পরিমাণে রোমানিয়া ভিসার জন্য আবেদন করায় রোমানিয়া ভিসার দাম তুলনামূলক আগের থেকে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রোমানিয়া সকলের পছন্দের শীর্ষে থাকে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর উন্নত রাষ্ট্রের ভিসার জন্য যে সকল আবেদন করা হয় তার মধ্যে রোমানিয়া ভিসার আবেদন সব থেকে বেশি পরিমাণে করা হয়। রোমানিয়া ভিসা তৈরি করতে লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করার প্রয়োজন হওয়া সত্ত্বেও মানুষ রোমানিয়া ভিসার পাওয়ার জন্য অনেক আগ্রহী থাকে।

রোমানিয়া ভিসার দাম কত

রোমানিয়া সরকার প্রতিবছর একটা নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন প্রকার ভিসার সার্কুলার প্রদান করে। রোমানিয়া সরকারের দেওয়াবিভিন্ন প্রকার ভিসার সার্কুলার অনুযায়ী ভিসার জন্য আবেদন করলে ভিসা পাওয়া তুলনামূলক সহজ হয়ে যায়। বর্তমানে রোমানিয়া ভিসার দাম আনুমানিক সর্বনিম্ন ৬ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

রোমানিয়া কোম্পানি ভিসার দাম

ইউরোপের এই উন্নত রাষ্ট্র রোমানিয়াতে অসংখ্য ছোট বড় কোম্পানি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। রোমানিয়াতে অসংখ্য ছোট বড় কোম্পানি থাকলেও এই সকল কোম্পানিতে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ শ্রমিক নেই। যার কারণে রোমানিয়া বিভিন্ন কোম্পানিতে সহজেই কাজ পাওয়া যায়। বর্তমানে কোম্পানি ভিসায় রোমানিয়া যেতে আলুমানিক সাড়ে ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা লাগে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৪

কোন কাজে পারদর্শী হওয়ার পর উন্নত রাষ্ট্রে কাজ করার উদ্দেশ্যে যেতে হলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার চাহিদা বেশি থাকার কারণে বর্তমানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে অনেক অসাধু দালালেরা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা তৈরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে।

মূলত তারা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার অভাব থাকলেও রোমানিয়ায় আপনার পরিচিত কেউ থাকলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা তৈরি করা সম্ভব। বর্তমানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার দাম আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

রোমানিয়া ড্রাইভিং ভিসার দাম কত?

ড্রাইভিং অত্যন্ত দায়িত্বশীল একটি পেশা হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে গাড়ির ড্রাইভারদের সঠিক ভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। এছাড়াও বর্তমান বাংলাদেশ শিক্ষার হার বেশি হওয়ার সাথে সাথে বেকারত্বের হার ও দিন দিন বেড়ে চলেছে। যার কারণে বাংলাদেশ সরকার যুব উন্নয়ন কেন্দ্রের মাধ্যমে ফ্রিতে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।

ফ্রি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শেষে সকলকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ বিভিন্ন ভাতা প্রদান করা হয়। যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে ফ্রিতে প্রশিক্ষণ নিয়ে রোমানিয়া ড্রাইভিং ভিসায় গিয়ে অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব। বর্তমানে রোমানিয়া ড্রাইভিং ভিসায় যাওয়ার জন্য ড্রাইভিং ভিসা প্রস্তুত করতে আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা প্রয়োজন হয়।

রোমানিয়া হোটেল সেফ ভিসা ২০২৪

আমাদের মধ্যে অনেককেই বিভিন্ন কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে থাকার প্রয়োজন পড়ে। বাড়ি থেকে আলাদা থাকার জন্য নিজেকেই রান্না করে খেতে হয়। নিজের জন্য রান্না করতে করতেই অনেকেই রান্নার কাজে বেশ পারদর্শী হয়ে ওঠে। রান্নার কাজের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বেকারত্বের বোঝা মাথায় দিয়ে ঘুরতে হয়।

আপনি যদি রান্নার কাজে পারদর্শী হয়ে থাকেন তাহলে রোমানিয়া গিয়ে হোটেল সেফ হিসাবে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে সহজেই চাকরি পেতে পারেন। বর্তমানে ইউরোপের নবম বৃহত্তম রাষ্ট্র রমানিয়াতে হোটেল সেফ ভিসা তৈরি করতে সর্বনিম্ন ৩ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে।

রোমানিয়া ভিসা পাওয়ার উপায়

বর্তমানে অনেকেই রোমানিয়া যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদন করায় রোমানিয়া ভিসা পাওয়া আগের তুলনায় অনেক কঠিন। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি দুই ভাবেই রোমানিয়া ভিসার জন্য আবেদন করা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন এজেন্সি ও দালালের মাধ্যমে রোমানিয়া বিভিন্ন কাজের ভিসা তৈরি করা যায়। এই সকল ভিসার ক্যাটাগরির উপর রোমানিয়া ভিসার দাম নির্ভর করে।

শেষ কথা

সারা বছর জুড়েই রোমানিয়া ভিসার জন্য অধিক পরিমাণে আবেদন করায় পুরো বছর জুড়েই রোমানিয়া ভিসার দাম অনেক বেশি থাকে। তবে রোমানিয়া সরকার যখন বিভিন্ন ভিসার সার্কুলার প্রদান করে তখন অনেক কম খরচে রোমানিয়া ভিসা তৈরি করা যায়।

Md Tuhin
Md Tuhin