জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ সালের ২৯ জুন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে আগামী ০৫ জুলাই ২০২৬ থেকে ২৮ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। এই গাইডে ফরম পূরণের সময়সীমা, ফি, যোগ্যতা, আবেদনের নিয়ম ও সতর্কতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, যাতে আপনি কোনো ভুল ছাড়াই আবেদন সম্পন্ন করতে পারেন।
অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণের সময়সীমা কত দিন?
অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হবে ০৫ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকাল থেকে এবং চলবে ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত পর্যন্ত। এরপর ২৯ জুলাই ও ৩০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত কলেজ কর্তৃপক্ষের জন্য ডাটা এন্ট্রি ও নিশ্চয়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সোনালী সেবা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়ার শেষ সময় ০২ আগস্ট থেকে ০৩ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ৪টায়।
কে কে অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণ করতে পারবেন?
ফরম পূরণে অংশ নিতে পারবেন ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থী, ২০২০-২০২১, ২০২১-২০২২ ও ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার্থী এবং ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শুধুমাত্র Promoted শিক্ষার্থীরা। আসুন প্রতিটি ক্যাটাগরি বিস্তারিত বোঝা যাক।
নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে আবেদন
২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশনকৃত এবং ২০২৪ সালের অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২য় বর্ষে প্রমোশন পাওয়া সকল শিক্ষার্থী নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ফরম পূরণ করতে পারবে। এই ক্যাটাগরিতে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা কোনো জটিলতা নেই—সোজা অনলাইনে আবেদন করুন।
অনিয়মিত পরীক্ষার্থী: কাদের জন্য প্রযোজ্য?
২০২০-২০২১, ২০২১-২০২২ এবং ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি অথবা Not Promoted হয়েছে, তারা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে মনে রাখতে হবে, যেসব শিক্ষার্থী পূর্বে কোনো কোর্সে পাস করেছে তাদের পুনরায় সেই কোর্সে পরীক্ষা দিতে হবে না।
গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার্থীর যোগ্যতা
২০২৪ সালের অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩য় বর্ষে প্রমোশন পাওয়া শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র C, C+ এবং D গ্রেড প্রাপ্ত কোর্সসমূহে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ২টি কোর্সে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবে। F গ্রেড থাকলে তা উন্নয়ন সুযোগের আওতায় পড়ে না—সেটির জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে।
F গ্রেড প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ম
২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯, ২০১৯-২০২০, ২০২০-২০২১ এবং ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী ৩য় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছে কিন্তু এক বা একাধিক বিষয়ে F গ্রেড রয়েছে, তারা শুধুমাত্র F গ্রেড প্রাপ্ত কোর্সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এই শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে ফরম পূরণের প্রয়োজন হবে।
অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণের ফি কত টাকা?
ফি নির্ধারণ করা হয়েছে কোর্স ও পরীক্ষার ধরণ অনুযায়ী। নিচের টেবিলে সকল প্রকার ফি বিস্তারিত দেওয়া হলো:
| ফির ধরণ | পরিমাণ (টাকা) |
|---|---|
| তত্ত্বীয় পরীক্ষা (পূর্ণ পত্র) | ৩০০ |
| তত্ত্বীয় পরীক্ষা (অর্ধ পত্র) | ২৫০ |
| ব্যবহারিক পরীক্ষা (প্রতি কোর্স) | ২৫০ |
| ইনকোর্স ফি (বিশ্ববিদ্যালয় ফান্ড + কলেজ ফান্ড) | ৪৫০ |
| কেন্দ্র ফি (তত্ত্বীয়: কলেজ অংশ + কেন্দ্র অংশ) | ৪৫০ |
| কেন্দ্র ফি (ব্যবহারিক: প্রতি কোর্স) | ১৭০ |
| গ্রেড উন্নয়ন ফি | ৬০০ |
| বিশেষ অন্তর্ভুক্তি ফি | ৫০০০ |
| C Promoted শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ফি | ১৫০০ |
নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ ফি সাধারণত ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে পড়ে। তবে বিশেষ অন্তর্ভুক্তি বা C Promoted শিক্ষার্থীদের জন্য ফি বেশি হতে পারে।
অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
শিক্ষার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ফরম ফিল আপ পোর্টালে গিয়ে আবেদন করতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো:
- প্রথমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সরাসরি ফরম ফিল আপ পোর্টালে প্রবেশ করুন।
- আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বর, সাবজেক্ট কোড এবং কোর্স ইনফরমেশন সঠিকভাবে নির্বাচন করুন।
- ব্যক্তিগত তথ্য যেমন নাম, পিতার নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি যাচাই করুন।
- প্রদত্ত তথ্য সঠিক আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
- ফরম পূরণ শেষে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন।
- নির্ধারিত ফি সহ প্রিন্ট কপি কলেজের বিভাগে জমা দিন।
একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি—ফরম পূরণের সময় ভুল সাবজেক্ট কোড ব্যবহার করলে পরবর্তীতে সংশোধন করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই সাবমিট করার আগে প্রতিটি তথ্য দুবার চেক করুন।
ফরম পূরণের সময় কী কী সতর্কতা নেবেন?
প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী সামান্য ভুলের কারণে আবেদন বাতিলের শিকার হয়। নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে আপনি নিরাপদ থাকবেন:
- রেজিস্ট্রেশন নম্বর: সঠিক কিনা যাচাই করুন। ভুল নম্বর দিলে আপনার ফরম অন্য কারো সাথে গিয়ে মিলতে পারে।
- সাবজেক্ট কোড: এটি সবচেয়ে জটিল অংশ। আপনার বিষয়ের কোড নিশ্চিত না হলে কলেজের বিভাগ থেকে জেনে নিন।
- কোর্স নির্বাচন: শুধু সেই কোর্সগুলো নির্বাচন করুন যেগুলোতে পরীক্ষা দিতে চান। বাড়তি কোর্স নির্বাচন করলে বাড়তি ফি গুনতে হবে।
- ব্যক্তিগত তথ্য: নাম ও পিতার নামের বানান পরীক্ষা করুন। পরীক্ষার সার্টিফিকেটে এই তথ্যই ব্যবহার হবে।
অনেক শিক্ষার্থী শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে এবং পরে সার্ভার সমস্যার কারণে আবেদন সম্পন্ন করতে পারে না। তাই প্রথম সপ্তাহেই ফরম পূরণের কাজ সেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ইনকোর্স নম্বর কীভাবে নির্ধারিত হবে?
যেসব নিয়মিত এবং অনিয়মিত শিক্ষার্থীর ইনকোর্স নম্বর পূর্বে পাঠানো হয়নি, তাদের ইনকোর্স নম্বর এবার কলেজ কর্তৃপক্ষ অনলাইনে প্রদান করবে। কলেজ কর্তৃপক্ষের অনলাইন নিশ্চয়ন ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু করা হবে না। তাই আপনার কলেজের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং নিশ্চিত হোন যে তারা আপনার ইনকোর্স নম্বর আপলোড দিয়েছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষের কী কী দায়িত্ব?
কলেজ কর্তৃপক্ষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু কাজ রয়েছে যা তাদের সম্পন্ন করতে হবে:
- শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই করা
- অনলাইন ডাটা এন্ট্রি সম্পন্ন করা
- নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অ্যাপ্লিকেশন কনফার্ম করা
- বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যক্ষের স্বাক্ষর নিশ্চিত করা
কলেজ যদি সময়মতো অ্যাপ্লিকেশন নিশ্চিত না করে, তাহলে শিক্ষার্থীর ফরম বাতিল বলে গণ্য হবে। তাই কলেজের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা জরুরি।
পরীক্ষার রুটিন ও অ্যাডমিট কার্ড কবে প্রকাশ পাবে?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে যে অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষার বিস্তারিত রুটিন ও সময়সূচি পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। সাধারণত ফরম পূরণ শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়। অ্যাডমিট কার্ড ফরম পূরণ এবং কলেজ কর্তৃক নিশ্চয়ন সম্পন্ন হওয়ার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করবে। কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবে।
সময়মতো ফরম পূরণ না করলে কী সমস্যা?
প্রতি বছর বহু শিক্ষার্থী শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে এবং সার্ভার জ্যাম, ইন্টারনেট সমস্যা বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে আবেদন সম্পন্ন করতে পারে না। একবার সময়সীমা শেষ হলে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হয় না। এছাড়া সময়মতো আবেদন করলে পরবর্তী সংশোধন বা তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ থাকে। তাই দেরি না করে দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করা বুদ্ধিমানের কাজ।
শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
- সাবজেক্ট কোড ভালোভাবে যাচাই করুন—এটি সবচেয়ে কমন ভুলের জায়গা।
- কলেজে জমা দেওয়ার আগে ফরমের সকল তথ্য পুনরায় দেখে নিন।
- ফরম জমা দেওয়ার রশিদ সংগ্রহ করুন এবং নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।
- কলেজ কর্তৃপক্ষ আবেদন নিশ্চিত করেছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
- আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করুন—শুধু ফরম পূরণ করলেই হবে না।
- যারা পূর্বের শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা দিতে চান, তারা অনার্স ২য় বর্ষের খাতা চ্যালেঞ্জ রেজাল্ট সম্পর্কেও জেনে নিন।
শেষ কথা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণ ২০২৬ অনার্স শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যক্রম। সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব ফরম পূরণের কাজ সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আপনার সঠিক প্রস্তুতি ও সতর্কতাই নিশ্চিত করবে মসৃণভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণের শেষ তারিখ কত?
ফরম পূরণের শেষ তারিখ ২৮ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের ডাটা এন্ট্রি ও নিশ্চয়নের জন্য আরও দুই দিন (২৯-৩০ জুলাই) সময় আছে। সোনালী সেবা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ০৩ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
অনার্স ২য় বর্ষ ফরম পূরণের ফি কত টাকা?
নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য তত্ত্বীয় পরীক্ষার ফি প্রতি পূর্ণ পত্রে ৩০০ টাকা, ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি প্রতি কোর্সে ২৫০ টাকা, ইনকোর্স ফি ৪৫০ টাকা এবং কেন্দ্র ফি ৪৫০ টাকা। গ্রেড উন্নয়ন ফি ৬০০ টাকা। বিশেষ অন্তর্ভুক্তি ফি ৫০০০ টাকা এবং C Promoted শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ফি ১৫০০ টাকা।
অনিয়মিত শিক্ষার্থী কীভাবে ফরম পূরণ করবে?
২০২০-২০২১, ২০২১-২০২২ ও ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি অথবা নট প্রমোটেড হয়েছে, তারা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পোর্টাল থেকে আবেদন করবে। ফরম পূরণের পর প্রিন্ট করে নির্ধারিত ফি সহ কলেজে জমা দিতে হবে।
ফরম পূরণ করার সময় সাবজেক্ট কোড কীভাবে জানব?
সাবজেক্ট কোড জানার জন্য আপনার কলেজের বিভাগ থেকে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রতিটি বিষয়ের জন্য কোড তালিকা প্রকাশ করা হয়। অনলাইন ফরম পূরণের সময় ড্রপডাউন মেনু থেকেও সঠিক কোড নির্বাচন করা যায়।
ফরম পূরণের পর অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম কোথায় পাব?
ফরম পূরণ শেষে অনলাইন পোর্টালে একটি অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম জেনারেট হবে। সেই ফর্মটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে হবে। প্রিন্ট কপি নির্ধারিত ফি সহ কলেজের বিভাগে জমা দিতে হবে। আপনার নিজের জন্যও একটি কপি সংরক্ষণ করে রাখুন।
ফরম পূরণ করতে কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
ফরম পূরণের জন্য প্রয়োজন হবে আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বর, সাবজেক্ট কোড, কোর্স ইনফরমেশন এবং ব্যক্তিগত তথ্য। কলেজে জমা দেওয়ার সময় পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও আইডি কার্ডের কপি লাগতে পারে। তবে অনলাইন আবেদনের জন্য শুধু প্রাথমিক তথ্যই যথেষ্ট।
অ্যাডমিট কার্ড কবে পাওয়া যাবে?
ফরম পূরণ এবং কলেজ কর্তৃক নিশ্চয়ন সম্পন্ন হওয়ার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডমিট কার্ড প্রকাশ করবে। সাধারণত ফরম পূরণ শেষ হওয়ার ২-৩ সপ্তাহ পরে অ্যাডমিট কার্ড পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীরা কলেজ থেকে তাদের অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা কী এবং কারা দিতে পারবে?
গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা হলো পূর্ববর্তী পরীক্ষায় C, C+ বা D গ্রেড প্রাপ্ত কোর্সে আরও ভালো গ্রেড পাওয়ার জন্য পুনরায় পরীক্ষা দেওয়া। ২০২৪ সালের অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩য় বর্ষে প্রমোশন পাওয়া শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ পাবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ২টি কোর্সে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবে।
ফরম পূরণের সময় ভুল করলে কীভাবে সংশোধন করব?
অনলাইন আবেদনের সময় তথ্য সাবমিট করার পরেও সংশোধনের সুযোগ থাকে—সাধারণত পোর্টালে একটি ‘এডিট’ অপশন থাকে। তবে কলেজে ফরম জমা দেওয়ার পর সংশোধন করা কঠিন। তাই সাবমিট করার আগে তথ্য দুবার চেক করে নেওয়াই উত্তম। কোনো সমস্যা হলে কলেজের বিভাগে যোগাযোগ করুন।
ফরম পূরণের পর কি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক?
ফরম পূরণ করলেই যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে ফি জমা দেওয়ার পর পরীক্ষা না দিলে ফি ফেরত পাওয়া যায় না। তাই নিশ্চিত হয়ে ফরম পূরণ করুন। যদি কোনো কারণে পরীক্ষা দিতে না পারেন, তাহলে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে আবার আবেদন করতে পারবেন।


