অমর একুশে বইমেলা ২০২৬: তারিখ, সময়সূচি

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাস এলেই বাঙালির মনে এক অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। ভাষার মাস মানেই প্রাণের মেলা, আর এই মেলার প্রাণভ্রমরা হলো বইমেলা ২০২৬। বইপ্রেমী, লেখক, প্রকাশক এবং সাধারণ মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে অমর একুশে বইমেলার চূড়ান্ত তারিখ। এবারের মেলাটি অন্যান্যবারের চেয়ে একটু ভিন্ন প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে রমজান মাস এবং আবহাওয়ার কথা বিবেচনা করে মেলার সময়সূচিতে আনা হয়েছে বেশ কিছু পরিবর্তন। আপনি যদি বইমেলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে এই লেখাটি আপনার জন্যই। এখানে আমরা অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ এর তারিখ, সময়, লোকেশন, টিকিট বা পাস সংক্রান্ত তথ্য এবং নতুন বইয়ের খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। চলুন জেনে নেওয়া যাক এবারের বইমেলার খুঁটিনাটি সব তথ্য।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ কবে শুরু?

বইপ্রেমীদের মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, বইমেলা ২০২৬ কবে শুরু হবে? সাধারণত প্রতি বছর ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে মেলা শুরু হওয়ার রেওয়াজ থাকলেও, অনিবার্য কারণবশত এ বছর তা সম্ভব হয়নি। বাংলা একাডেমি ও মেলা পরিচালনা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু হবে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে। মেলার পর্দা নামবে ১৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে। অর্থাৎ, এবারের মেলা চলবে টানা ২৫ দিন।

দেরিতে শুরু হওয়ার কারণ হিসেবে মূলত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আয়োজক কমিটির প্রস্তুতির সময়কে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও প্রকাশকদের একটি অংশ ঈদের পরে মেলা আয়োজনের দাবি জানিয়েছিল, কিন্তু বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ ঋতুভেদে আবহাওয়া এবং ধুলোবালির কথা চিন্তা করে ২০ ফেব্রুয়ারি তারিখটিই চূড়ান্ত করেছে। তাই ক্যালেন্ডারে ২০ ফেব্রুয়ারি তারিখটি দাগিয়ে রাখতে পারেন, কারণ সেদিনই দুয়ার খুলছে প্রাণের মেলার।

বইমেলা ২০২৬ এর নতুন সময়সূচি

যেহেতু এবারের মেলার একটি বড় অংশ পবিত্র রমজান মাসে অনুষ্ঠিত হবে, তাই সময়সূচিতে আনা হয়েছে বড় পরিবর্তন। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে এবং ইফতার ও নামাজের কথা মাথায় রেখে বাংলা একাডেমি নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে।

  • সাধারণ দিন (রবি-বৃহস্পতি): দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
  • ছুটির দিন (শুক্র ও শনি): সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত (তবে বিরতি থাকবে)।
  • শুক্রবার (বিরতি): জুমার নামাজের জন্য দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মেলা বন্ধ থাকবে।
  • শনিবার (বিরতি): দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিরতি থাকতে পারে (চূশন্ত নোটিশ অনুযায়ী)।
  • প্রবেশ শেষ সময়: রাত ৮:৩০ মিনিটের পর নতুন করে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

এই সময়সূচি মেনে চললে আপনি নির্বিঘ্নে মেলা উপভোগ করতে পারবেন। বিশেষ করে যারা দূর থেকে আসবেন, তারা হাতে সময় নিয়ে বের হবেন যাতে জ্যাম এড়িয়ে মেলায় পৌঁছাতে পারেন।

আরও জানতে পারেনঃ 

রমজানে বিশেষ ব্যবস্থা

২১ শে বইমেলা ২০২৬ চলাকালীন সময়ে রমজান শুরু হয়ে যাবে। রোজাদার দর্শনার্থী এবং প্রকাশকদের কথা চিন্তা করে মেলা প্রাঙ্গণে ইফতারের ব্যবস্থা রাখা হবে। বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, মেলার ভেতরে পর্যাপ্ত পানি এবং হালকা খাবারের স্টল থাকবে। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নামাজের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা এবং অজুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারাবির নামাজের সময় যাতে মাইকের আওয়াজে সমস্যা না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হবে।

মেলার স্থান ও বিন্যাস

প্রতিবারের মতো এবারও বাংলা একাডেমি বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে।

  • ১. বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ: এখানে মূলত সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল, লিটল ম্যাগাজিন চত্বর এবং একাডেমি পরিচালিত স্টলগুলো থাকবে।
  • ২. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান: মেলার মূল আকর্ষণ অর্থাৎ সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থাগুলোর প্যাভিলয়ন ও স্টলগুলো থাকবে এই বিশাল উদ্যানে।

এবারের মেলার বিন্যাসেও কিছুটা আধুনিকতার ছোঁয়া থাকছে। স্টলগুলোকে এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যাতে দর্শনার্থীরা সহজেই তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রকাশনী খুঁজে পান। চলাচলের পথগুলো প্রশস্ত রাখা হয়েছে যাতে ভিড় কম হয়। বিশেষ করে ধুলোবালি নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বইমেলা ২০২৬ বইয়ের তালিকা ও নতুন চমক

বইমেলা মানেই নতুন বইয়ের গন্ধ। বইমেলা ২০২৬ বইয়ের তালিকা ইতোমধ্যেই পাঠকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এবছর প্রায় ৫০০০ এর বেশি নতুন বই প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রবীণ লেখকদের পাশাপাশি তরুণ লেখকদের বইয়ের সংখ্যাও এবার চোখে পড়ার মতো।

পাঠকদের পছন্দের কিছু ক্যাটাগরি:

  • উপন্যাস ও গল্প: হুমায়ূন আহমেদের পুরোনো বইয়ের পাশাপাশি সমসাময়িক জনপ্রিয় লেখকদের নতুন উপন্যাস।
  • কবিতা: নবীন ও প্রবীণ কবিদের কবিতার বই।
  • থ্রিলার ও রহস্য: বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে থ্রিলার বইয়ের চাহিদা তুঙ্গে।
  • প্রবন্ধ ও গবেষণা: মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস এবং রাজনীতি নিয়ে গবেষণাধর্মী বই।
  • শিশুসাহিত্য: ছোটদের জন্য রঙবেরঙের গল্পের বই, ছড়া এবং কমিকস।
  • অনুবাদ সাহিত্য: বিশ্বসাহিত্যের ধ্রুপদী বইগুলোর বাংলা অনুবাদ।

আপনি যদি নির্দিষ্ট কোনো বই খুঁজছেন, তবে মেলায় প্রবেশের আগেই অনলাইনে বা বিভিন্ন প্রকাশনীর ফেসবুক পেজ থেকে ক্যাটালগ দেখে নিতে পারেন। এছাড়া মেলার তথ্যকেন্দ্রেও নতুন বইয়ের তালিকা পাওয়া যাবে।

প্রকাশকদের প্রস্তুতি ও স্টল ভাড়ায় ছাড়

এবারের Ekushey Boi Mela 2026 আয়োজনে প্রকাশকদের দাবির মুখে স্টল ভাড়ায় ২৫% ছাড় দেওয়া হয়েছে। গত বছরের তুলনায় কাগজের দাম এবং আনুষঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রকাশকরা কিছুটা চিন্তিত ছিলেন। তবে বাংলা একাডেমির এই সিদ্ধান্তে তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ছোট ও মাঝারি প্রকাশনীগুলোর জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। তবে রমজান মাসে মেলা হওয়ায় বিক্রি কিছুটা কম হতে পারে বলে অনেক প্রকাশক আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবুও তারা পাঠকদের জন্য সেরা বইগুলো নিয়ে প্রস্তুত।

মেলায় যাওয়ার উপায় ও টিপস

বইমেলায় যাওয়া এখন অনেক সহজ হয়েছে মেট্রোরেলের কল্যাণে।

  • মেট্রোরেল: আপনি যদি উত্তরা বা মিরপুর থেকে আসেন, তবে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ স্টেশনে নেমে সহজেই পায়ে হেঁটে মেলায় যেতে পারেন। এটি সবচেয়ে দ্রুত ও আরামদায়ক উপায়।
  • বাস: ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে শাহবাগ বা টিএসসিগামী বাসে করে আসা যাবে।
  • রিক্সা/ব্যক্তিগত গাড়ি: দোয়েল চত্বর বা টিএসসি এলাকায় রিক্সায় আসা যায়। তবে মেলার আশেপাশে পার্কিং সুবিধা সীমিত, তাই ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে আসলে কিছুটা দূরে পার্ক করতে হতে পারে।

জরুরি টিপস:

  • ১. হাতে সময় নিয়ে বের হন, কারণ প্রবেশপথে চেকিংয়ের জন্য লাইন হতে পারে।
  • ২. সঙ্গে পানির বোতল এবং ছাতা রাখতে পারেন।
  • ৩. ধুলোবালি থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
  • ৪. বই কেনার জন্য নগদ টাকার পাশাপাশি বিকাশে বা কার্ডে পেমেন্টের সুযোগ আছে কি না তা জেনে নিন (বেশিরভাগ স্টলে এখন ডিজিটাল পেমেন্ট থাকে)।
  • ৫. বইয়ের তালিকা আগে থেকে করে নিলে সময় বাঁচবে।

প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

এবারের মেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুরো মেলা প্রাঙ্গণ সিসিটিভির আওতায় থাকবে। প্রবেশপথে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে গেট থাকছে। এছাড়া পুলিশ, র‍্যাব এবং আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহলে থাকবেন।

প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ‘বইমেলা অ্যাপ’ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে স্টল ম্যাপ এবং বইয়ের তথ্য পাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হতে পারে। ফ্রি ওয়াইফাই জোন থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।

অমর একুশে বইমেলার গুরুত্ব

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ কবে শুরু হচ্ছে তা জানার পাশাপাশি এর গুরুত্ব অনুধাবন করাও জরুরি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এই মেলার আয়োজন। এটি শুধু বই কেনা-বেচার জায়গা নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি ও চেতনার মিলনমেলা। এখানে লেখক-পাঠকের সরাসরি মিথস্ক্রিয়া হয়, যা সাহিত্যের প্রসারে বড় ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য এই মেলার কোনো বিকল্প নেই।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনী ও প্রতিষ্ঠান

এ বছর সরকারি ও বেসরকারি মিলে প্রায় ৬০০টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিচ্ছে। বাংলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, নজরুল ইনস্টিটিউটসহ দেশের স্বনামধন্য সব প্রকাশনী সংস্থা তাদের প্যাভিলয়ন ও স্টল সাজিয়েছে। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে থাকছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ছোট কাগজ ও সাহিত্য সাময়িকী, যা মেলার বৈচিত্র্য বাড়ায়।

আবহাওয়া ও পরিবেশ

ফেব্রুয়ারির শেষ এবং মার্চের শুরুতে আবহাওয়া কিছুটা গরম হতে পারে। বিশেষ করে দুপুরের দিকে রোদ থাকতে পারে। তবে বিকেলের দিকে আবহাওয়া মনোরম থাকার কথা। ধুলোবালি নিয়ন্ত্রণের জন্য কর্তৃপক্ষ নিয়মিত পানি ছিটানোর আশ্বাস দিয়েছে। পরিবেশ সুন্দর রাখতে দর্শনার্থীদেরও সচেতন হতে হবে, বিশেষ করে ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলতে হবে।

আরও জানতে পারেনঃ রোজা কত তারিখে ২০২৬: রমজান মাসের সম্ভাব্য তারিখ

শিশু প্রহর (যদি থাকে)

সাধারণত শুক্র ও শনিবার সকালে শিশুদের জন্য ‘শিশু প্রহর’ থাকে। তবে রমজান মাসে সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে শিশু প্রহর থাকবে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত তথ্য মেলা শুরুর আগে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। যদি থাকে, তবে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য ওই সময়টিই সেরা। হালুম, ইকরি, টুকটুকিদের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ শিশুরা নিশ্চয়ই মিস করতে চাইবে না।

এক নজরে বইমেলা ২০২৬ এর সময়সূচি

বারের নামসময়সূচিবিরতিমন্তব্য
রবিবার – বৃহস্পতিবারদুপুর ২:০০ – রাত ৯:০০নেইসাধারণ দিন
শুক্রবারসকাল ১১:০০ – রাত ৯:০০দুপুর ১:০০ – ৩:০০জুমার নামাজের বিরতি
শনিবারসকাল ১১:০০ – রাত ৯:০০দুপুর ১:০০ – ২:০০দুপুরের খাবারের বিরতি
২১ ফেব্রুয়ারিসকাল ৮:০০ – রাত ৯:০০নেইবিশেষ আয়োজন

(দ্রষ্টব্য: রমজান মাস শুরু হলে এই সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে, যা কর্তৃপক্ষের নোটিশ বোর্ডে জানিয়ে দেওয়া হবে।)

শেষ কথা

নানান জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে। বইপ্রেমীদের জন্য এই ২৫ দিন হবে উৎসবের মতো। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ, প্রিয় লেখকের অটোগ্রাফ, আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা সব মিলিয়ে জমে উঠবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করে এবং সুশৃঙ্খলভাবে মেলা উপভোগ করাই হোক আমাদের লক্ষ্য। আপনিও আসুন, বই কিনুন এবং প্রিয়জনকে বই উপহার দিন। কারণ, বইয়ের চেয়ে ভালো বন্ধু আর নেই। দেখা হবে প্রাণের মেলায়!

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

বইমেলা ২০২৬ কবে শুরু হবে?

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে শুরু হবে।

এবারের বইমেলা কতদিন চলবে?

এবারের মেলা চলবে ২৫ দিন, অর্থাৎ ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত।

রমজান মাসে কি বইমেলা খোলা থাকবে?

হ্যাঁ, রমজান মাসেও মেলা খোলা থাকবে। তবে ইফতার ও নামাজের জন্য বিশেষ বিরতি এবং সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

শুক্রবার বইমেলা কখন খোলে?

শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় সকাল ১১টায় মেলা খুলবে, তবে জুমার নামাজের জন্য ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।

বইমেলার টিকিট কি কিনতে হয়?

না, বইমেলায় প্রবেশের জন্য কোনো টিকিট বা ফি লাগে না। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

মেট্রোরেলে করে বইমেলায় যাব কীভাবে?

মেট্রোরেলের ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ স্টেশনে নেমে টিএসসি হয়ে সহজেই হেঁটে বইমেলায় যাওয়া যায়।

বইমেলায় কি খাবারের দোকান থাকবে?

হ্যাঁ, মেলা প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট ফুড জোন থাকবে। রমজান মাসে সেখানে ইফতারের ব্যবস্থাও থাকবে।

Scroll to Top