ডিভি লটারি বাংলাদেশ ২০২৭ (আপডেট তথ্য)

ডিভি লটারি বাংলাদেশ নিয়ে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য সময়সূচি ঘিরে আগ্রহ বাড়লেও বাংলাদেশিরা এবার আবেদন করতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি ২৯ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। তাই আবেদন খোলার আগে যোগ্যতা যাচাই না করে কোনো ব্যক্তি বা দালালকে টাকা দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে অনলাইন আবেদন ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়ার কথা এবং অন্তত ৩০ দিন খোলা থাকতে পারে। একইভাবে নির্বাচিতদের প্রাথমিক নোটিশ ৩ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশের কথা বলা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতেই নিশ্চিত হবে।

সংক্ষিপ্ত: 

  • ডিভি লটারি ২০২৭-এর বিজ্ঞপ্তি ২৯ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে আসার কথা রয়েছে।
  • সম্ভাব্য আবেদন শুরুর তারিখ ১ নভেম্বর ২০২৬। পাশাপাশি আবেদন অন্তত ৩০ দিন খোলা থাকার কথা।
  • ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ এই কর্মসূচির জন্য অযোগ্য রয়েছে। তবে ২০২৭ সালে যোগ্যতা ফিরবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
  • অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন করতে কোনো ফি লাগে না।

ডিভি লটারি বাংলাদেশে ২০২৭-এর অবস্থা কী?

ডিভি লটারি বাংলাদেশ থেকে ২০২৭ সালে আবেদন করা যাবে কি না, তার উত্তর এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২৯ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার কথা জানিয়েছে বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ আছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে দেশভিত্তিক যোগ্যতার তালিকা থাকলেই বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার হবে।

২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচির জন্য অযোগ্য। কারণ ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করেছেন। ফলে ডিভি কর্মসূচিতে কোনো দেশের অভিবাসনের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার বেশি হলে সেই দেশ পরবর্তী সময়ে অযোগ্য হতে পারে।

লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো, আগের বছরের অযোগ্যতা দেখে ২০২৭ সালের সিদ্ধান্ত অনুমান করা নিরাপদ নয়। বরং দেশভিত্তিক তালিকা নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বদলাতে পারে। তাই ২৯ অক্টোবরের ঘোষণার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট, পুরোনো ভিডিও বা দালালের কথাকে চূড়ান্ত তথ্য হিসেবে নেবেন না।

আবেদন কবে শুরু হতে পারে?

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিভি লটারি ২০২৭-এর অনলাইন আবেদন ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। একইসঙ্গে আবেদন-উইন্ডো অন্তত ৩০ দিন খোলা থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে সময়সূচি বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপর নির্ভর করবে।

সম্ভাব্য সময়সূচিটি সহজভাবে দেখলে এমন দাঁড়ায়:

বিষয়সম্ভাব্য তারিখযা মনে রাখতে হবে
আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি২৯ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যেবাংলাদেশের যোগ্যতা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে
অনলাইন আবেদন শুরু১ নভেম্বর ২০২৬আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে সম্ভাব্য তারিখ
আবেদন খোলা থাকার সময়অন্তত ৩০ দিনচূড়ান্ত সময়সীমা অফিসিয়াল পোর্টালে যাচাই করতে হবে
প্রাথমিক নির্বাচনের নোটিশ৩ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যেনির্বাচিতদের তথ্য প্রকাশের সম্ভাব্য সময়

অভিজ্ঞ আবেদনকারীদের জন্য ব্যবহারিক পরামর্শ হলো, সম্ভাব্য শুরুর তারিখের আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য গুছিয়ে রাখা। তবে দেশটি যোগ্য কি না নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো ফর্ম পূরণ, টাকা প্রদান বা তৃতীয় পক্ষের কাছে পাসপোর্টের তথ্য জমা দেওয়া উচিত নয়।

বাংলাদেশ কেন অযোগ্য হয়েছিল?

বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে ডিভি লটারির জন্য অযোগ্য রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করায় দেশটি ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচির যোগ্য তালিকা থেকে বাদ পড়ে। তাই ২০২৭ সালের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগ পর্যন্ত এই অযোগ্যতা বহাল আছে বলে ধরে নিতে হবে।

এর অর্থ হলো, বাংলাদেশি নাগরিকরা আগের কয়েকটি ডিভি লটারি পর্বে আবেদন করার সুযোগ পাননি। তবে ২০২৭ সালের কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অবস্থান একই থাকবে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলার সময় এখনো আসেনি। কারণ দেশভিত্তিক যোগ্যতা প্রতি কর্মসূচির বিজ্ঞপ্তিতে আলাদাভাবে জানানো হয়।

সাধারণ ভুল হলো, কোনো আবেদনকারী পুরোনো যোগ্যতার তালিকা দেখে নতুন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। বরং ঘোষণার তারিখ, যোগ্য দেশের তালিকা এবং আবেদন নির্দেশনা—এই তিনটি তথ্য একসঙ্গে যাচাই করা দরকার।

ডিভি লটারি বাংলাদেশে আবেদন করতে টাকা লাগে?

ডিভি লটারি বাংলাদেশ থেকে আবেদন করার ক্ষেত্রে সরকারি অনলাইন আবেদন জমা দিতে কোনো টাকা লাগে না। তাই আবেদন কেবল ডিভি লটারির অফিসিয়াল পোর্টাল dvprogram.state.gov-এ করা উচিত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন করার নামে বাধ্যতামূলক সরকারি ফি দাবি করলে সতর্ক থাকুন।

বিনামূল্যের আবেদন মানে ব্যক্তিগত প্রস্তুতিতে কোনো সম্ভাব্য খরচই হবে না—এমন নয়। যেমন ছবি তোলা, ইন্টারনেট ব্যবহার বা প্রয়োজনীয় কাগজের অনুলিপিতে স্থানীয়ভাবে সামান্য খরচ হতে পারে। কিন্তু আবেদন গ্রহণের জন্য সরকারি পোর্টালে কোনো অর্থ জমা দেওয়ার কথা নেই।

আবেদন জমা দেওয়ার পর নিশ্চিতকরণ নম্বর বা confirmation number নিজের কাছে সংরক্ষণ করুন। অন্যদিকে অন্য কাউকে নম্বরটি দিলে পরবর্তীতে নির্বাচনের তথ্য দেখতে সমস্যায় পড়তে পারেন। এই নম্বরের স্ক্রিনশটের পাশাপাশি নিরাপদ জায়গায় লিখেও রাখা ভালো।

প্রতারণা কীভাবে শনাক্ত করবেন?

ডিভি লটারির নামে প্রতারণার সবচেয়ে সাধারণ কৌশল হলো অর্থের বিনিময়ে গ্রিন কার্ড নিশ্চিত করে দেওয়ার দাবি। বাস্তবে কোনো দালাল, চক্র বা বেসরকারি ব্যক্তি নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। বরং নির্বাচিত হওয়া সরকারি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে, ব্যক্তিগত সুপারিশ বা টাকা দেওয়ার ওপর নয়।

  • আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক ফি চাওয়া হলে টাকা দেবেন না।
  • গ্রিন কার্ড নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করবেন না।
  • পাসপোর্ট নম্বর, জন্মতারিখ ও পারিবারিক তথ্য অচেনা ওয়েবসাইটে জমা দেবেন না।
  • অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের বদলে কোনো ব্যক্তিগত লিংকে আবেদন করবেন না।
  • নির্বাচিত হওয়ার দাবি করা ই-মেইল বা বার্তা পেলে অফিসিয়াল পোর্টালে নিজে তথ্য যাচাই করুন।

বিশেষ করে বাজেট-সচেতন আবেদনকারীদের মনে রাখা দরকার, দালালকে দেওয়া টাকা আবেদন সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায় না। বরং ভুল তথ্য জমা হলে ভবিষ্যৎ যাচাইয়ের সময় জটিলতা তৈরি হতে পারে। নিশ্চিত তথ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ডাইভারসিটি ভিসা তথ্য দেখুন।

আবেদনের আগে কী প্রস্তুতি নেবেন?

বাংলাদেশ ২০২৭ সালের যোগ্য দেশের তালিকায় আছে কি না নিশ্চিত হওয়ার পরই আবেদন প্রস্তুতি শুরু করা উচিত। তার আগে কেবল ব্যক্তিগত তথ্য, পারিবারিক সদস্যদের বিবরণ এবং প্রয়োজনীয় ছবির বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া যায়। তাই আবেদনপত্রে ভুল তথ্য বা বাদ পড়া পরিবারের সদস্য পরবর্তীতে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।

  1. ২৯ অক্টোবর ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের যোগ্যতা যাচাই করুন।
  2. শুধু অফিসিয়াল ডিভি লটারি পোর্টাল ব্যবহার করুন।
  3. আবেদনের পর confirmation number নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।
  4. কোনো দালালকে গ্রিন কার্ডের নিশ্চয়তার জন্য টাকা দেবেন না।
  5. ৩ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নির্বাচিতদের নোটিশ প্রকাশের সম্ভাব্য সময়টি মনে রাখুন।

একজন অভিজ্ঞ আবেদনকারী সাধারণত একটি আলাদা নোটে আবেদন-সংক্রান্ত তারিখ, confirmation number এবং ব্যবহৃত ই-মেইল লিখে রাখেন। ফলে একই তথ্য বারবার খোঁজার প্রয়োজন কমে। তবে নোটটি এমন জায়গায় রাখুন যেখানে অন্য কেউ সহজে ব্যক্তিগত তথ্য দেখতে না পারে।

সাধারণ ভুলগুলো কোনগুলো?

ডিভি লটারি বাংলাদেশ নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল হলো যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার আগেই আবেদন ফি বা সেবা-চার্জ দেওয়া। দ্বিতীয় ভুল হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অনিশ্চিত তারিখকে সরকারি ঘোষণা হিসেবে ধরে নেওয়া। তৃতীয় ভুল হলো confirmation number অন্যের কাছে রেখে দেওয়া।

ভুল সময়সূচি বিশ্বাস করা

১ নভেম্বর ২০২৬ সম্ভাব্য আবেদন শুরুর তারিখ। তবে এটি চূড়ান্ত ঘোষণা হিসেবে নয়, আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সময় বদলালে নতুন তথ্যই অনুসরণযোগ্য হবে।

বাংলাদেশের যোগ্যতা ধরে নেওয়া

২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশের অযোগ্যতার তথ্য জানা থাকলেও ২০২৭ সালের জন্য নতুন তালিকা না আসা পর্যন্ত নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাবে না। তাই ২৯ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর দেশভিত্তিক অবস্থান যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

দালালের নিশ্চয়তায় ভরসা করা

কেউ অর্থের বিনিময়ে গ্রিন কার্ড নিশ্চিত করে দিতে পারে না। বরং এমন দাবি প্রতারণার সতর্কসংকেত। সরকারি আবেদন বিনামূল্যে হওয়ায় আগে অর্থ চাওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দূরে থাকুন।

প্রশ্নোত্তর

২০২৭ সালে বাংলাদেশিরা ডিভি লটারিতে আবেদন করতে পারবেন?

এখনো নিশ্চিত নয়। তবে ২৯ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশিতব্য আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের যোগ্যতা পরিষ্কার হওয়ার কথা রয়েছে।

ডিভি লটারির আবেদন কখন শুরু হতে পারে?

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্ভাব্য তারিখ ১ নভেম্বর ২০২৬। তাই চূড়ান্ত সময়সূচি অফিসিয়াল পোর্টালে যাচাই করতে হবে।

ডিভি লটারির আবেদন কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ, অফিসিয়াল অনলাইন আবেদন জমা দিতে কোনো টাকা লাগে না। তবে ছবি বা ইন্টারনেট ব্যবহারে ব্যক্তিগত খরচ হতে পারে।

বাংলাদেশ কেন ডিভি লটারির জন্য অযোগ্য?

২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করায় ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ অযোগ্য রয়েছে বলে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচিতদের তালিকা কবে প্রকাশ হতে পারে?

প্রাথমিক নির্বাচনের নোটিশ ৩ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশের কথা রয়েছে। ফলাফল জানতে কেবল অফিসিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করুন।

দালালকে টাকা দিলে কি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে?

না। অর্থের বিনিময়ে গ্রিন কার্ড নিশ্চিত করার দাবি বিশ্বাসযোগ্য নয়। বরং নির্বাচনের সরকারি প্রক্রিয়ায় দালালের টাকা কোনো নিশ্চয়তা তৈরি করে না।

ঘোষণার আগে নিরাপদ সিদ্ধান্ত

ডিভি লটারি বাংলাদেশ নিয়ে এখন সবচেয়ে দায়িত্বশীল অবস্থান হলো অপেক্ষা করে ২৯ অক্টোবর ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি দেখা। বাংলাদেশ যোগ্য দেশের তালিকায় থাকলে ১ নভেম্বরের সম্ভাব্য আবেদন সময়, সরকারি পোর্টাল এবং বিনামূল্যের আবেদন সম্পর্কে নির্দেশনা মিলিয়ে নিন। তাই যোগ্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে টাকা দেবেন না।চূড়ান্ত তথ্যের জন্য অফিসিয়াল ডিভি লটারি পোর্টাল এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশনা যাচাই করুন। তবে সময়সূচি বা যোগ্যতার পরিবর্তন হলে সর্বশেষ সরকারি ঘোষণাই অনুসরণযোগ্য হবে।

Scroll to Top