জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। অধিভুক্ত কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে যারা মূল সনদের অপেক্ষায় আছেন তাদের জন্য ঘোষণাটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিবন্ধন, অংশগ্রহণের যোগ্যতা, ভেন্যু, ফি এবং সনদ বিতরণের নিয়ম এখনো আলাদা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এই তারিখ জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তনে উপস্থিত থাকতে সম্মতি দিয়েছেন। ফলে ২০২৬ সালের শেষ দিক থেকেই সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীদের একাডেমিক নথি ও যোগাযোগের তথ্য প্রস্তুত রাখা যুক্তিযুক্ত।
- সম্ভাব্য তারিখ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৭
- আয়োজক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারী: বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের যোগ্য গ্র্যাজুয়েট
- নিবন্ধন ও ভেন্যু: পরবর্তী সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষায়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হলে বহু গ্র্যাজুয়েট আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ গ্রহণের সুযোগ পেতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ২০১৭ সালের আগে এখানে কোনো সমাবর্তন হয়নি। তাই অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত সমাবর্তন দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।
সমাবর্তন শুধু আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান নয়। বরং শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এটি গ্র্যাজুয়েটের একাডেমিক পরিচয়কে স্বীকৃতি দেয়। পাশাপাশি মূল সনদ হাতে পাওয়া চাকরি, উচ্চশিক্ষা এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার সময় বাস্তব সুবিধা দিতে পারে। তবে কোন ব্যাচ এতে অংশ নিতে পারবে তা কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিই নির্ধারণ করবে।
তারিখ ঘোষণার ভিত্তি কী?
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ জানান। সাক্ষাৎকালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমের সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়। এছাড়াও গত দুই বছরে নেওয়া শিক্ষা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
একই বৈঠকে দ্বিতীয় সমাবর্তনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। প্রদত্ত তথ্যে রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মতি দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আয়োজনের চূড়ান্ত কাঠামো, নিবন্ধন পদ্ধতি ও অনুষ্ঠানস্থল সম্পর্কে আলাদা নোটিশ প্রকাশের পরই নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
প্রথম সমাবর্তনে কী ঘটেছিল?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পর আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানের স্থান ছিল বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ফলে এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রথম সমাবর্তনে ১৯৯৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪ হাজার ৯৩২ জন নিবন্ধিত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী অংশ নেন। কৃতিত্বপূর্ণ ফলের জন্য আটজন শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। তাই সংখ্যাটি দেখায় সমাবর্তনে অংশ নিতে আগাম নিবন্ধন ও যোগ্যতা যাচাই কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা | ১৯৯২ সাল |
| প্রথম সমাবর্তন | ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ |
| প্রথম সমাবর্তনের স্থান | বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র |
| প্রথম সমাবর্তনে নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারী | ৪ হাজার ৯৩২ জন |
| স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী | ৮ জন |
কারা অংশ নিতে পারেন?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে কারা অংশ নিতে পারবেন তা এখনো প্রকাশিত যোগ্যতার বিজ্ঞপ্তির ওপর নির্ভর করবে। সাধারণভাবে সংশ্লিষ্ট সময়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ব্যাচ, ফল প্রকাশের সময় এবং সনদসংক্রান্ত শর্ত বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে অনুমান করে নিবন্ধন করা নিরাপদ নয়।
প্রথম সমাবর্তনে ১৯৯৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় আয়োজনেও একই ধরনের সময়সীমা থাকবে কি না তা বলা হয়নি। তাই সম্ভাব্য গ্র্যাজুয়েটদের ফলাফল প্রকাশের বছর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কলেজের তথ্য এবং যোগাযোগের মোবাইল নম্বর প্রস্তুত রাখা ভালো।
প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় নথি
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পরীক্ষার রোল
- স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফলাফলের তথ্য
- কলেজের নাম, বিষয় এবং পাসের বছর
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের সঠিক তথ্য
- সাম্প্রতিক ছবি ও সচল মোবাইল নম্বর
নিবন্ধনের সময় নামের বানান বা জন্মতারিখে ভুল থাকলে পরে সনদ সংশোধনে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। তাই অনলাইন ফরম পূরণের আগে পরীক্ষার সনদ, রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং পরিচয়পত্র মিলিয়ে দেখা উচিত। ফলে ছোট এই যাচাই ধাপ ভবিষ্যতের দৌড়ঝাঁপ কমাতে পারে।
মূল সনদ নিয়ে জটিলতা কোথায়?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২ হাজারের বেশি বলে প্রদত্ত তথ্যে জানানো হয়েছে। প্রতিবছর এসব কলেজ থেকে বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েট বের হলেও সমাবর্তনের সুযোগ সীমিত থাকায় অনেকেই মূল সনদ পেতে সমস্যায় পড়েন। সাময়িক সনদ দিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালানো গেলেও সব প্রতিষ্ঠানে সেটি সমানভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
বিশেষ করে বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনে অনেক প্রতিষ্ঠান মূল সনদ চায়। সাময়িক সনদ গ্রহণ করলেও ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে মূল সনদ জমা দেওয়ার শর্ত থাকতে পারে। ফলে সমাবর্তনের সময়সূচি শুধু আনুষ্ঠানিকতার বিষয় নয়। বরং এটি আবেদনপত্র, ভিসা নথি এবং একাডেমিক যাচাইয়ের সঙ্গেও যুক্ত।
ধরা যাক কোনো গ্র্যাজুয়েট ২০২৭ সালের মাঝামাঝি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করবেন। তাঁর সাময়িক সনদের মেয়াদ বা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা নিয়ম থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নোটিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ডকুমেন্ট চাহিদাও আগে যাচাই করা দরকার।
নিবন্ধনের আগে কোন বিষয় যাচাই করবেন?
তারিখ ঘোষণা হলেও নিবন্ধন শুরু হয়েছে এমন তথ্য প্রদত্ত বিবরণে নেই। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট বা অনানুষ্ঠানিক তালিকার ওপর নির্ভর না করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি দেখা উচিত। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নোটিশ, ফরম এবং নির্দেশনা মিলিয়ে নিন।
- সমাবর্তনের জন্য নির্ধারিত ব্যাচ বা পাসের বছর মিলিয়ে দেখুন।
- নিবন্ধনের শেষ তারিখ এবং নির্ধারিত ফি লিখে রাখুন।
- কলেজের মাধ্যমে আবেদন হবে কি না তা নিশ্চিত করুন।
- সনদ, গাউন, আমন্ত্রণপত্র এবং অতিথি সংক্রান্ত নিয়ম পড়ুন।
- ফরম জমা দেওয়ার পর রসিদ বা আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করুন।
কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে যে তথ্য থাকবে সেটিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। কারণ ব্যাচ, ফি, নিবন্ধনের মাধ্যম এবং অনুষ্ঠানস্থল নিয়ে আয়োজনভেদে নিয়ম বদলাতে পারে। ইতোমধ্যে যারা বিদেশে আবেদন করছেন তাদের অনুবাদ, সত্যায়ন এবং মূল সনদ জমা দেওয়ার সময়সীমাও আলাদা করে নোট করা উচিত।
সাধারণ ভুলগুলো কী?
সমাবর্তন সংক্রান্ত ঘোষণার পর অনেক শিক্ষার্থী শুধু তারিখ মনে রাখেন। কিন্তু নিবন্ধনের সময়সীমা, যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় নথি বাদ পড়ে যায়। ফলে শেষ মুহূর্তে ফরম পূরণে চাপ বাড়ে। আবার কেউ কেউ কলেজের নাম বা পরীক্ষার সাল ভুল লিখে আবেদন করেন।
- শুধু অনানুষ্ঠানিক পোস্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া
- পাসের বছর যাচাই না করে নিবন্ধনের চেষ্টা করা
- নাম ও জন্মতারিখের বানান না মেলানো
- আবেদন নম্বর বা পেমেন্ট রসিদ সংরক্ষণ না করা
- মূল সনদের পরিবর্তে সাময়িক সনদের গ্রহণযোগ্যতা ধরে নেওয়া
বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার সমাবর্তনে অংশ নেওয়া এবং মূল সনদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া সবসময় একই ধাপ নাও হতে পারে। কোনো শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশ নিলেই সনদ সঙ্গে সঙ্গে হাতে পাবেন এমন নিশ্চয়তা বিজ্ঞপ্তি ছাড়া দেওয়া যায় না। তাই নির্দেশনার প্রতিটি অংশ মনোযোগ দিয়ে পড়া প্রয়োজন।
নিয়মিত সমাবর্তনের দাবি কেন উঠছে?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরুর পর ২০১৭ সালে প্রথম সমাবর্তন হলেও পরবর্তী আট বছরে একাধিকবার আয়োজনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়নি বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ আছে। এর ফলে অধিভুক্ত কলেজের বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েট আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এবং মূল সনদের জন্য অপেক্ষায় থেকেছেন।
সমাবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা কয়েকবার আন্দোলনেও নেমেছিলেন। গ্র্যাজুয়েটদের প্রত্যাশা হলো নির্দিষ্ট সময় অন্তর এমন আয়োজন হোক যাতে একাডেমিক জীবন শেষ করার পর সনদ পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে না হয়। লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো নিয়মিত আয়োজন হলে প্রশাসনিক চাপও ধাপে ধাপে ভাগ করা সম্ভব হয়।
দক্ষ আয়োজনের জন্য যে তথ্য দরকার
ছোট পরিসরে শুরু করে ধাপে ধাপে নিবন্ধন যাচাই করা গেলে আয়োজনের চাপ কমানো যায়। প্রথম সমাবর্তনে ৪ হাজার ৯৩২ জন নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারী ছিলেন। ভবিষ্যৎ আয়োজনের ক্ষেত্রে ব্যাচভিত্তিক তালিকা, কলেজভিত্তিক যাচাই এবং অনলাইন রেকর্ড ব্যবস্থাপনা সময় বাঁচাতে পারে।
তবে অংশগ্রহণকারীর সম্ভাব্য সংখ্যা, অনুষ্ঠানস্থল বা নিবন্ধন ধাপ সম্পর্কে এখনই নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত দেওয়া যাবে না। এসব তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত হলে শিক্ষার্থীরা সময়, খরচ এবং যাতায়াতের পরিকল্পনা আরও নির্ভুলভাবে করতে পারবেন।
যা এখনই মনে রাখা দরকার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ আয়োজনের ঘোষণা বহু গ্র্যাজুয়েটের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। যদিও তারিখ ও রাষ্ট্রপতির সম্মতির কথা জানানো হয়েছে, অংশগ্রহণের যোগ্যতা, নিবন্ধন, ফি, ভেন্যু এবং মূল সনদ বিতরণের নিয়ম এখনো সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
তাই সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীরা একাডেমিক নথি গুছিয়ে রাখুন, কলেজের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখুন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল নোটিশ নিয়মিত দেখুন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির তারিখ, ব্যাচের শর্ত এবং আবেদনের সময়সীমা মিলিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
প্রশ্নোত্তর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন কবে হবে?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে চূড়ান্ত আয়োজনসংক্রান্ত নির্দেশনা আলাদা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত হবে।
সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকবেন কি?
উপাচার্যের বক্তব্য অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মতি দিয়েছেন।
প্রথম সমাবর্তন কবে হয়েছিল?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪ হাজার ৯৩২ জন নিবন্ধিত শিক্ষার্থী অংশ নেন।
দ্বিতীয় সমাবর্তনে কারা অংশ নিতে পারবেন?
কোন ব্যাচ বা সময়সীমার গ্র্যাজুয়েট অংশ নিতে পারবেন তা এখনো জানানো হয়নি। তাই যোগ্যতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতেই নির্ধারিত হবে।
নিবন্ধন কি শুরু হয়েছে?
প্রদত্ত তথ্যে নিবন্ধন শুরুর কথা উল্লেখ নেই। সুতরাং অফিসিয়াল নোটিশ প্রকাশের আগে কোনো অনানুষ্ঠানিক ফরম বা তালিকায় তথ্য দেওয়া ঠিক হবে না।
সাময়িক সনদ দিয়ে কি বিদেশে পড়তে যাওয়া যায়?
বিদেশি প্রতিষ্ঠানভেদে নিয়ম আলাদা। অনেক ক্ষেত্রে সাময়িক সনদ গ্রহণ করা হলেও ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে মূল সনদ জমা দেওয়ার শর্ত থাকতে পারে।
সমাবর্তনের মূল সনদ কি অনুষ্ঠানের দিনই পাওয়া যাবে?
সনদ বিতরণের সময়সূচি কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে। তবে অনুষ্ঠানের দিনেই মূল সনদ দেওয়া হবে এমন তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।


